ভ্যালেনটাইন’স নিয়ে মজার তথ্য

../news_img/love.jpg

মৃদুভাষণ ডেস্ক :: আগামীকাল ১৪ ফেব্রুয়ারি, ভ্যালেনটাইন’স ডে অর্থাৎ ভালোবাসা দিবস। জেনে নিন, ভালোবাসা দিবসের মজার কিছু তথ্য।

* ভ্যালেনটাইন’স ডে তে বিক্রয় হওয়া ফুলের মধ্যে ৭৩% কিনে ছেলেরা আর বাকি ১৭% মেয়েরা।

* ভ্যালেনটাইন’স ডে ছাড়াও আরো একটি দিন সবচেয়ে বেশি ফুলের উৎসব হিসেবে গণ্য হয়। সেই দিনটি হচ্ছে, মা দিবস।

* প্রিয়জনের জন্য উপহার হিসেবে খুবই জনপ্রিয় ও প্রচলিত উপহার হচ্ছে, চকলেট বক্স। ১৮০০ শতাব্দীর শেষ ভাগে ভালোবাসা দিবসের প্রথম ক্যান্ডি বাক্সের প্রচলন শুরু করেন রিচার্ড ক্যাডবেরি।

* প্রথাগতভাবে ভালোবাসা দিবসে যে হৃদয় আকৃতির প্রতীক ব্যবহার করা হয়, সেটির ধারণা সিলফিয়াম নামের এক ধরনের ঔষধি গাছের বীজ থেকে এসেছে।

* মধ্যযুগে একটি বিশ্বাস ছিল যে, ভালোবাসা দিবসে প্রথম যে অবিবাহিত লোকের সঙ্গে সাক্ষাৎ হবে, সে জীবনসঙ্গী হিসেবে জীবনে আসবে।

* ভালোবাসা দিবসে প্রতি বছর গড়ে ২২০,০০০ মানুষ বিয়ের প্রস্তাব দিয়ে থাকেন।

* প্রতি বছর ভালোবাসা দিবসে বিশ্বজুড়ে ১৩৫ মিলিয়নের বেশি হার্ট শেপ চকলেট বিক্রয় হয়ে থাকে।

* প্রতিবছর ভ্যালেন্টাইন’স ডে তে শুধুমাত্র যুক্তরাষ্ট্রেই ১ বিলিয়ন ডলার মূল্যের চকলেট বিক্রয় হয়ে থাকে।

* শেক্সপিয়ারের অমর প্রেমিক-প্রেমিকাযুগল রোমিও-জুলিয়েট ইতালির যে শহরে বাস করতেন, সেই ভেরোনায় প্রতি ভ্যালেনটাইন’স ডে তে জুলিয়েটের নামে আসে এক হাজারের বেশি চিঠি।

* লাল গোলাপ ভালোবাসার প্রতীক হিসেবে পরিচিতি কেন তা কি জানেন? এটি রোমান প্রেম ও সৌন্দর্যের দেবী হিসেবে পরিচিত ভেনাসের প্রিয় ফুল ছিল। গোলাপের লাল রঙ শক্তিশালী রোমান্টিক অনুভূতি প্রকাশ করে বলে মনে করা হয়।

* ভিক্টোরিয়ান যুগে ভালোবাসা দিবসের কার্ডকে মনে করা হতো মন্দভাগ্যের প্রতীক।

* এমন অনেক মানুষ আছেন যারা ভালোবাসা দিবসে তাদের পোষা প্রাণীকে উপহার দেন। এক পরিসংখ্যানে দেখা গেছে, ৩ শতাংশ মানুষ তাদের পোষ্যকে ভ্যালেন্টাইন’স ডের উপহার দিয়ে থাকেন।

* ১৭৯৭ সালে একজন ব্রিটিশ প্রকাশক তরুণ প্রেমিকদের জন্য একগুচ্ছ আবেগঘন পদ্য প্রকাশ করেন। এটা সেসব তরুণকে সহায়তার উদ্দেশে প্রকাশ করা হয়েছিল, যারা নিজের আবেগ পদ্যের মাধমে প্রকাশ করতে পারেন না। এরই ধারাবাহিকতায় ভ্যালেনটাইন’স দিবসে কার্ড বিনিময়ের চল শুরু হয়েছে বলে ধারণা করা হয়।

* কারো কারো মতে, ভালোবাসা দিবসের প্রথম কার্ড পাঠান চার্লস ডিউক অব অরলিন্স তার স্ত্রীকে, ১৪১৫ সালে টাওয়ার অব লন্ডনে আটক থাকা অবস্থায়।

* কিছু কিছু দেশে ভালোবাসার ড্রেস কোড নামক কোড আছে যার ফলে আপনি বুঝতে পারবেন একটা মানুষ ভালোবাসার কোন পর্যায়ে আছে। নীল ড্রেস- এখনো ফ্রি এবং সিঙ্গেল আছে। সাদা ড্রেস- অন্য কারোর প্রেমিক/প্রেমিকা। কমলা ড্রেস- কাউকে প্রেমের প্রস্তাব দিতে যাচ্ছে। সবুজ ড্রেস- ভালোবাসার মানুষটির অপেক্ষায় রয়েছে। হলুদ ড্রেস- সম্পর্ক বিচ্ছেদ হয়েছে। ধূসর ড্রেস- প্রেম, ভালোবাসায় আগ্রহী না। কালো ড্রেস- প্রেমের প্রস্তাব নাকচের ইঙ্গিত। গোলাপী ড্রেস- প্রেমের প্রস্তাব সবেমাত্র গ্রহণকারী বা প্রস্তাবে সম্মতি জানিয়েছে। লাল ড্রেস- ভালোবাসার বন্ধনে আবদ্ধ।